Class 5 Amader Paribesh Chapter 1 question answer
মানবদেহ প্রশ্নোত্তর । পঞ্চম শ্রেণি আমাদের পরিবেশ প্রথম অধ্যায় । Manabdeho Question Answer । Class 5 Amader Paribesh Chapter 1 question answer । Page 1 to 17 । West Bengal Board Of Secondary Education ।
-:মানবদেহ:-
- শরীরের বর্ম:-
- চামড়া দিয়ে কী কী বানানো হয়?
উত্তর: চামড়া দিয়ে ব্যাগ, জুতো, বেল্ট ইত্যাদি বানানো হয়।
2. আগে মানুষ চামড়াকে কীভাবে লেখার উপযোগী করে তুলত?
উত্তর: আগে মানুষ চামড়া শুকিয়ে নিয়ে চামড়াকে লেখার উপযোগী করে তুলত।
3. আগে জল বয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে কীভাবে চামড়া ব্যবহার করা হতো?
উত্তর: আগে জল বয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে চামড়ার ব্যাগ ব্যবহার করা হতো।
4. চামড়া বেশি ব্যবহার করলে কী কী ক্ষতি হয়?
উত্তর: চামড়া বেশি ব্যবহার করলে অনেক পশু মারা যায়, কারখানার নোংরা জলে মিশে জলদূষণ হয়, চামড়ার দূর্গন্ধ ছড়িয়ে বায়ুদূষণ হয় ইত্যাদি।
5. আমাদের শরীরের বর্ম কাকে বলে?
উত্তর: চামড়া বা ত্বক-কে আমাদের শরীরের বর্ম বলে।
6. চামড়া বা ত্বকের নীচে কী থাকে?
উত্তর: চামড়া বা ত্বকের নীচে মাংসপেশি, নার্ভ, শিরা ও ধমনি ইত্যাদি থাকে।
7. চামড়া বা ত্বক-কে আমাদের শরীরের বর্ম বলা হয় কেন?
উত্তর: চামড়া বা ত্বক আমাদের শরীরকে বাইরের আঘাত ও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে তাই চামড়া বা ত্বক-কে আমাদের শরীরের বর্ম বলা হয়।
8. আগেকার দিনে চামড়া যুদ্ধের কাজে কীভাবে ব্যবহার করা হতো?
উত্তর: আগেকার দিনে গণ্ডারের চামড়া দিয়ে পোশাক ও ঢাল বানিয়ে তা পড়ে যুদ্ধ করা হতো।
- শরীরের কোন অংশের চামড়া কেমন তা দেখো। তাই নিয়ে আলোচনা করো। তারপর লেখো:
শরীরের অংশ | চামড়া কেমন | চামড়ার নীচে শিরা দেখা যায় কিনা | চামড়ার নীচে আর কী আছে বলে মনে হয় |
গাল | টান টান | দেখা যায়, নীল রঙের | মাংসপেশি ও হাড় |
গলা | একটু কোঁচকানো | দেখা যায়, নীল রঙের | মাংসপেশি ও হাড় |
হাতের তালু | টান টান | দেখা যায় না | মাংসপেশি ও হাড় |
পায়ের নীচে | টান টান | দেখা যায় না | মাংসপেশি |
কুনুই | কোঁচকানো | দেখা যায় না | হাড় |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- ত্বক কোথায় পাতলা, কোথায় পুরু:-
9. আমাদের শরীরের কোন কোন জায়গার চামড়া পুরু বা মোটা হয়?
উত্তর: আমাদের শরীরের শরীরের যে যে অংশে বেশি ঘষাঘষি হয় সেখানে চামড়া পুরু বা মোটা হয়।
- শরীরের নানা অংশের ত্বক কত পুরু তার দেখো। তারপর লেখো:
শরীরের অংশ | ত্বক পাতলা না পুরু | শরীরের অংশ | ত্বক পাতলা না পুরু |
গাল | পাতলা | পিঠ | পাতলা |
হাতের কব্জি | পুরু | পায়ের পাতার উপর | পাতলা |
হাঁটু | পাতলা | কপাল | পাতলা |
পায়ের গোড়ালি | পুরু | ঠোঁট | পাতলা |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- ত্বকের উপর-নীচ:-
10. ত্বকের কয়টি স্তর?
উত্তর: ত্বকের দুটি স্তর।
11. কোথাও পুড়ে গেলে কী করা উচিত?
উত্তর: কোথাও পুড়ে গেলে ঠান্ডা জলে হাত ডুবিয়ে রাখতে হবে এবং মাঝে মাঝে হাত তুলে দেখতে হবে জ্বালা বন্ধ হয়েছে কিনা। যখন জ্বালা বন্ধ হয়ে যাবে তখন হাত তুলে নিতে হবে।
12. ফোসকা কীভাবে পড়ে?
উত্তর: কোথাও হালকা পুড়ে গেলে চামড়ার উপরি স্তরটা মরে যায় এবং নীচের স্তর থেকে একপ্রকার জলীয় তরল চামড়ার দুটি স্তরের মাঝে জমা হয়। ফলে জায়গাটা ফুলে ওঠে। এভাবে ফোসকা পড়ে।
13. ফোসকা কীভাবে আটকানো যায়?
উত্তর: কোনো জায়গায় হালকা পুড়ে গেলে সাথে সাথে সেখানে ঠান্ডা জল দিলে নীচের স্তর পর্যন্ত গরম পৌঁছাতে পারে না এবং ফোসকা আটকানো যেতে পারে।
14. বেশি পুড়ে গেলে কী করা উচিত?
উত্তর: বেশি পুড়ে গেলে দেরি না করে সাথে সাথে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত।
- কোঁকড়ানো আর কালো:-
15. বয়স বাড়ার সাথে সাথে চামড়া কুঁচকে যায় কেন?
উত্তর: বয়স বাড়ার সাথে শরীর বাড়লে বা মোটা হলে চামড়াও বাড়ে কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে শরীর ছোটো হতে শুরু করলে চামড়া কমে না তাই কুঁচকে যায়।
16. চামড়ার রং কালো হয় কেন?
উত্তর: মেলানিনের জন্য চামড়ার রং কালো হয়।
17. সূর্যরশ্মির কোন উপাদান ত্বকের ক্যানসার ঘটায়?
উত্তর: সূর্যরশ্মির অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্যানসার ঘটায়।
18. ত্বকের কোন উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধ করে?
উত্তর: মেলানিন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
19. মেলানিন কীভাবে ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধ করে?
উত্তর: মেলানিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নিয়ে ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
20. শরীরের মেলানিন তৈরিতে কে সাহায্য করে?
উত্তর: সূর্যরশ্মি শরীরের মেলানিন তৈরিতে সাহায্য করে।
21. ত্বকে রোদে লাগালে কোন ভিটামিন তৈরি হয়?
উত্তর: ত্বকে রোদে লাগালে ভিটামিন-ডি তৈরি হয়।
22. ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে কী কী বেরিয়ে যায়?
উত্তর: ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে নুন ও শরীরের কিছু বর্জ্য পদার্থ বেরিয়ে যায়।
23. শরীর থেকে বেশি নুন বেরিয়ে গেলে কী হয়?
উত্তর: শরীর থেকে বেশি নুন বেরিয়ে গেলে মাথা ঘুরতে পারে বা অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।
24. কালো চামড়ার মানুষদের সম্মানের জন্য কারা লড়াই করেছেন?
উত্তর: কালো চামড়ার মানুষদের সম্মানের জন্য লড়াই করেছেন নেলসন ম্যান্ডেলা, মহাত্মা গান্ধী, মার্টিন লুথার কিং ইত্যাদি প্রমুখ ব্যক্তিরা।
- চামড়ার অসুখ বিষয়ে নিজেরা আলোচনা করো। প্রয়োজনে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাহায্য নাও। তারপর লেখো:
শরীরের অংশ | চামড়ায় কী অসুখ হয় | সেই অসুখের লক্ষণ | সেই অসুখ হলে কী করেছ বা করবে |
শরীরের যেকোনো অংশ | দাদ | চামড়ার ওপর লালচে গোল চাকার মতো দাগ দেখা যায় যার ও চুলকানিযুক্ত হয়। | চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ক্রিম ব্যবহার করতে হবে এবং আক্রান্ত স্থান শুকনো রাখতে হবে। |
মাথায় | খুশকি | মাথার ত্বকে সাদাটে মরা চামড়া বা আঁশ দেখা যায় এবং মাঝে মাঝে হালকা চুলকানি হয়। | নিয়মিত অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করলে এটি নিরাময় হয়। |
মুখে ও পিঠে | ব্রণ | মুখ, কপাল বা পিঠে ছোট ছোট লালচে ফুসকুড়ি, পুঁজবিন্দু বা কালো দাগ দেখা দেয়। | মুখ পরিষ্কার রাখা, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার বর্জন করা। |
পায়ের আঙুলের ফাঁকে | অ্যাথলিট’স ফুট | পায়ের আঙুলের মাঝের চামড়া সাদা হয়ে ফেটে যায়, চুলকায় এবং অনেক সময় দুর্গন্ধ বের হয়। | পা সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখা এবং নিয়মিত অ্যান্টি-ফাঙ্গাল পাউডার বা ক্রিম ব্যবহার করা। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- চুলের সাতকাহন:-
25. চামড়াকে প্রথম ধাক্কা থেকে কে বাঁচায়?
উত্তর: চামড়াকে প্রথম ধাক্কা থেকে বাঁচায় লোম, চুল, পালক আঁশ ইত্যাদি।
26. বয়স বাড়লে চুল সাদা হয়ে যায় কেন?
উত্তর: বয়স বাড়লে মেলানিন কম তৈরি হয় তাই চুল সাদা হয়ে যায়।
- শজারুর কাঁটা:-
27. গন্ডারের খড়্গ আসলে কী?
উত্তর: গন্ডারের খড়্গ আসলে জমাট বাঁধা চুল।
28. কোন প্রাণীর গা ভর্তি শক্ত খাড়া লোম থাকে?
উত্তর: শজারু-র গা ভর্তি শক্ত খাড়া লোম থাকে।
- মানুষের ও অন্য প্রাণীর লোম-চুল বিষয়ে আলোচনা করো। প্রয়োজনে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাহায্য নাও। তারপর লেখো:
মানুষের লোম-চুল | অন্য প্রাণীর লোম/চুল/পালক/আঁশ | ||||
কাটলে বেশি বাড়ে কিনা | হ্যাঁ | বেশি লোম কাদের | খুব কম লোম কাদের | বিশেষ ধরনের লোম-চুল কাদের | বিশেষ ধরনের পালক/আঁশ কাদের |
না কাটলে কত বড়ো হয় | কম বাড়ে | ||||
চামড়ার কোন স্তরে গজায় | উপরের স্তরে | চমরী গাই, তুষার চিতা, ভালুক, রেড পান্ডা, পশমিনা ছাগল ইত্যাদি। | ভারতীয় গন্ডার, এশীয় হাতি, জলহস্তী ইত্যাদি। | গোল্ডেন ল্যাঙ্গুর, হিমালয়ান থার, শ্লথ বিয়ার ইত্যাদি। | বনরুই, ঘড়িয়াল, উড়ন্ত কাঠবিড়ালি ইত্যাদি। |
এদের কাজ কী | চামড়াকে আঘাত থেকে রক্ষা করা | ||||
পাকলে কেন সাদা | মেলানিন কম তৈরি হয় তাই | ||||
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- নখের নীচে রক্ত:-
29. নখের কাজ কী?
উত্তর: নখের কাজ আঙুলকে আঘাত থেকে বাঁচানো।
30. রক্তাল্পতার লক্ষণ কী?
উত্তর: রক্তাল্পতার লক্ষণ হল নখের মাঝখানটা চামচের মতো হয়ে যায় এবং নখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
31. নখ পরিষ্কার না করলে কী ক্ষতি হয়?
উত্তর: নখ পরিষ্কার না করলে নোংরা জমে জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে এবং নখকুনি হতে পারে।
- নখের কাজ, নখের যত্ন এসব নিয়ে আলোচনা করে লেখো:
নখ কী কাজ করে | নখ দেখে কী কী বোঝা যায় | কীভাবে নখের যত্ন করা দরকার |
সুরক্ষা প্রদান, ছোট বস্তু ধরতে সাহায্য করা, স্পর্শকাতরতা বৃদ্ধি, প্রাত্যহিক কাজ ও চুলকানি ইত্যাদি। | হেপাটাইটিসের সংকেত, আয়রনের তীব্র অভাব, থাইরয়েড সমস্যা বা ভিটামিন বি-১২ এবং জিঙ্কের অভাব, মেলানোমা (এক ধরণের ত্বকের ক্যান্সার) ইত্যাদি। | পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নেইল পলিশ ও রিমুভার ব্যবহারে সতর্কতা, সঠিক উপায়ে নখ কাটা, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া, ক্ষতিকর কাজ থেকে বিরত থাকা ইত্যাদি। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- নরম নরম থাবার নীচে লুকানো তার না:-
32. পশুপাখিদের নখ বেশি বাড়ে না কেন?
উত্তর: অনেক পশুপাখি নখ ঘষে ঘষে নখ বাড়তে দেয় না তাই পশুপাখিদের নখ বেশি বাড়ে না।
33. ত্বকের যত্ন না নিলে কী ক্ষতি হয়?
উত্তর: ত্বকের যত্ন না নিলে চামড়ায় ফুসকুড়ি, দাদ-হাজা, চুলকানি ইত্যাদি ত্বকের সমস্যা হতে পারে।
34. চুলের যত্ন না নিলে কী ক্ষতি হয়?
উত্তর: চুলের যত্ন না নিলে চুলে খুসকি, উকুন ইত্যাদি চুলের সমস্যা হতে পারে।
- বিভিন্ন প্রাণীর না সম্পর্কে নিজেরা আলোচনা করে, ভেবে লেখো:
নখ নেই এমন প্রাণী | খুরওলা প্রাণী | কিছুটা ধারালো নখওলা প্রাণী | খুব সূঁচাল নখওলা প্রাণী |
মানুষ, বিড়াল, কুকুর, বাঘ, সিংহ ইত্যাদি। | গোরু, ঘোড়া, হরিণ, ছাগল, শুকর ইত্যাদি। | মানুষ, সজারু, কাঠবিড়ালি, ইঁদুর, বেজি ইত্যাদি। | বিড়াল, বাঘ, সিংহ, চিতাবাঘ, ঈগল ইত্যাদি। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- নখ চুলের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করো। প্রয়োজনে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাহায্য নাও। তারপর লেখো:
নখ, চুলে কী কী সমস্যা হয় | তাতে কী কী কষ্ট হয় | তখন কী করলে ভালো হয় |
|
|
|
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- ছোটো -বড়ো হাড়ের কথা:-
35. কবজি থেকে পাঁচ আঙুলে মোট কটি হাড়?
উত্তর: কবজি থেকে পাঁচ আঙুলে মোট ১৯ টি হাড়।
36. কোনো প্রাণীর শরীরে কটি হাড় আছে তা কীভাবে জানা যায়?
উত্তর: কোনো প্রাণীর শরীরে কটি হাড় আছে প্রাণীর কঙ্কাল দেখে জানা যায়।
- বিভিন্ন জায়গার হাড়ের মাপ ও তাদের আকার বিষয়ে বোঝার চেষ্টা করো। তারপর লেখো:
কোন জায়গার হাড় | মাপ (ছোটো/মাঝারি/বড়ো) |
আঙুল | ছোটো |
বাহু | বড়ো |
পা | বড়ো |
শিরদাঁড়া | ছোটো |
মাথা | ছোটো |
বুকের পাঁজর | মাঝারি |
পায়ের পাতা | ছোটো |
কাঁধ | ছোটো |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- অস্থিসন্ধির হিসেবনিকেশ:-
37. অস্থি কাকে বলে?
উত্তর: হাড়কে অস্থি বলে।
38. সন্ধি কাকে বলে?
উত্তর: জোড়-কে সন্ধি বলে।
39. অস্থিসন্ধি কাকে বলে?
উত্তর: হাড়ের জোড়কে অস্থিসন্ধি বলে।
40. কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত হাড়ের নাম কী?
উত্তর: কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত হাড়ের নাম আলনা ও রেডিয়াস।
41. কাঁধ থেকে কনুই পর্যন্ত হাড়ের নাম কী?
উত্তর: কাঁধ থেকে কনুই পর্যন্ত হাড়ের নাম হিউমেরাস।
42. মেরুদণ্ডের হাড়ের নাম কী?
উত্তর: মেরুদণ্ডের হাড়ের নাম ভার্টিব্রা বা কশেরুকা।
43. কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত হাড়ের নাম কী?
উত্তর: কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত হাড়ের নাম ফিমার।
44. হাঁটুর নীচ থেকে গোড়ালি পর্যন্ত হাড়ের নাম কী?
উত্তর: হাঁটুর নীচ থেকে গোড়ালি পর্যন্ত হাড়ের নাম টিবিয়া ও ফিবুলা।
45. লিগামেন্ট কাকে বলে?
উত্তর: দড়ির মতো একরকম জিনিস যা দুটি একাধিক হাড়কে বেঁধে রাখতে সাহায্য করে তাকে লিগামেন্ট বলে।
46. অস্থি মজবুত রাখতে কীসের প্রয়োজন হয়?
উত্তর: অস্থি মজবুত রাখতে ক্যালশিয়াম প্রয়োজন হয়।
47. ক্যালশিয়াম কোন কোন খাদ্যে থাকে?
উত্তর: ক্যালশিয়াম দুধ, ডিম ইত্যাদি খাদ্যে থাকে।
- শরীরে হাড়ের বিষয়ে দেখে আর গুনে লেখো:
এক হাতে কাঁধ থেকে কবজির আগে পর্যন্ত হাড়ের জোড় ক-টা? গুনে খাতায় লেখো: | মূলত ২টি। যথা- কাঁধের সন্ধি ও কনুইয়ের সন্ধি। |
কাঁধ থেকে কবজি পর্যন্ত ক-টা হাড়? শরীরে হাত দিয়ে আর নরকঙ্কালের ছবির দেখে গুনে লেখো: | প্রধান হাড় রয়েছে মোট ৩টি। যথা- কাঁধ থেকে কনুই পর্যন্ত ১টি ও কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত ২টি। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- অস্থি মজবুত করা ও অস্থিসন্ধিগুলো নমনীয় করা বিষয়ে আলোচনা করে লেখো:
অস্থি মজবুত হলে কী সুবিধা | কী করলে অস্থি মজবুত হয় | অস্থিসন্ধি নমনীয় হলে কী সুবিধা | কী করলে অস্থিসন্ধি নমনীয় হয় |
অস্থি বা হাড় মজবুত হলে শরীর সঠিক কাঠামো পায় এবং চলাফেরা করতে সুবিধা হয়। এছাড়া, মজবুত হাড় বার্ধক্যজনিত হাড়ের ক্ষয় ও বড় ধরণের ফ্র্যাকচার বা ভাঙনের ঝুঁকি হ্রাস করে। | অস্থি বা হাড় মজবুত করতে নিয়মিত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার (যেমন: দুধ, ডিম, সামুদ্রিক মাছ) গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম এবং শরীরে পর্যাপ্ত সূর্যালোক লাগানো হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে অত্যন্ত কার্যকর। | শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে খুব সহজে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে বিভিন্ন দিকে ঘোরানো বা নাড়াচাড়া করতে সাহায্য করে। এবং নমনীয় অস্থিসন্ধি শরীরের ওপর আসা বাড়তি চাপ সহ্য করতে পারে, যা হাড়ের ক্ষয় এবং আকস্মিক চোট পাওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। | অস্থিসন্ধি বা জয়েন্ট নমনীয় রাখতে নিয়মিত স্ট্রেচিং ও যোগব্যায়াম করা অত্যন্ত জরুরি, যা পেশির জড়তা কাটিয়ে জয়েন্টের সচলতা বৃদ্ধি করে। এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল পান এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে হাড়ের সংযোগস্থলে পিচ্ছিলতা বজায় থাকে এবং ঘর্ষণ জনিত সমস্যা দূর হয়। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- পেশি নিয়ে কিছু কথা:-
48. কী করলে পেশি জোরালো বা শক্তিশালী হয়?
উত্তর: মাছ, মাংস, ডিম, মাশরুম, ডাল, সয়াবিন, লেবু ইত্যাদি খাবার খেতে হবে এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে পেশি জোরালো বা শক্তিশালী হয়।
49. জিভ কী কী কাজ করে?
উত্তর: খাবার চেটে নিতে, চিবানোর সময় খাবার ওলোট-পালোট করতে, খাবার গিলতে এবং কথা বলতে জিভ কাজ করে।
- মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর শরীরে পেশি বিষয়ে আলোচনা করে লেখো:
মানুষের শরীরের পেশি | অন্য প্রাণীর শরীরের পেশি | ||
কোন জায়গার পেশি | কী করায় সাহায্য করে | কোন জায়গার পেশি | কী করায় সাহায্য করে |
কাঁধের পেশি | ভারী জিনিস তুলতে সাহায্য করে | পাখির ডানার পেশি | উড়তে সাহায্য করে |
চোয়ালের পেশি | খাবার চিবাতে সাহায্য করে | ঘোড়ার পায়ের পেশি | দৌড়াতে সাহায্য করে |
পায়ের পেশি | হাঁটাচলা করতে সাহায্য করে | বাঘের চোয়ালের পেশি | শিকার ধরতে সাহায্য করে |
আঙুলের পেশি | কোনো কিছু ধরতে সাহায্য করে | মাছের লেজের পেশি | দিক নির্ণয়ে সাহায্য করে |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- স্টেথোস্কোপে শোনা:-
50. কোন যন্ত্র দিয়ে হৃদস্পন্দন শোনা যায়?
উত্তর: স্টেথোস্কোপ যন্ত্র দিয়ে হৃদস্পন্দন শোনা যায়।
51. শরীরে রক্ত ছড়িয়ে দেওয়ার পাম্প কাকে বলে?
উত্তর: হৃদপিন্ড-কে শরীরে রক্ত ছড়িয়ে দেওয়ার পাম্প বলে।
52. হৃদপিন্ডের কাজ কী?
উত্তর: হৃদপিন্ডের কাজ সারা শরীরে রক্ত সরবরাহ করা।
53. কীসের মাধ্যমে সারা শরীরে রক্ত ছড়িয়ে যায়?
উত্তর: ধমনি দিয়ে সারা শরীরে রক্ত ছড়িয়ে যায়।
54. ধমনি কী?
উত্তর: ধমনি হল একপ্রকার নল যার মধ্যে দিয়ে সারা শরীরে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে।
55. রক্তের কাজ কী?
উত্তর: রক্তের কাজ সারা শরীরে অক্সিজেন ও শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছে দেয়।
- বাতাসে ওড়ে জীবাণু:-
56. শরীরের কোন অঙ্গে যক্ষ্মা বেশি হয়?
উত্তর: ফুসফুস-এ যক্ষ্মা বেশি হয়
57. যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ কী কী?
উত্তর: যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ হল প্রথম প্রথম বিকালে জ্বর আসে, রাতে ঘাম ও শ্বাসকষ্ট হয়, ঘুম থেকে ওঠার পর টানা কফ উঠতে থাকে, খাওয়ায় অরুচি ও বুকে ব্যাথা হয়, কাশির সাথে রক্ত উঠতে থাকে, এবং ওজন কমতে থাকে।
58. যক্ষ্মা রোগ কীভাবে ছড়ায়?
উত্তর: যক্ষ্মা রোগ কফ, হাঁচি, থুতু, নিঃশ্বাস বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায়।
59. যক্ষ্মা কি বংশগত রোগ?
উত্তর: না, যক্ষ্মা বংশগত রোগ নয়।
60. যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসার নাম কী?
উত্তর: যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসার নাম DOT চিকিৎসা।
61. আজ থেকে কত বছর আগে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা হয়?
উত্তর: আজ থেকে প্রায় ১৩০ বছর আগে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা হয়।
62. আজ থেকে কত বছর আগে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা শুরু হয়?
উত্তর: আজ থেকে প্রায় ৬০-৭০ বছর আগে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা শুরু হয়।
63. শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া হয় এমন একটি টিকার নাম লেখো।
উত্তর: শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দেওয়া হয় এমন একটি টিকার নাম হল বি.সি.জি. টিকা।
64. বি.সি.জি. টিকার পুরো নাম কী?
উত্তর: বি.সি.জি. টিকার পুরো নাম ব্যাসিলাস ক্যালমেট-গুয়েরিন টিকা।
65. বাড়িতে ও.আর.এস. (ORS) বানানোর পদ্ধতি কী?
উত্তর: বাড়িতে ও.আর.এস. (ORS) বানানোর পদ্ধতি হল- খাওয়ায় জল ২০ মিনিট মতো ফুটিয়ে নিয়ে এক গ্লাস জলে এক চামচ চিনি আর এক চিমটে নুন দিয়ে গুলে নিতে হবে।
- বায়ু ও জলবাহিত জীবাণু থেকে তোমাদের বা বাড়িতে কার কী অসুখ হয়েছে তার নিয়ে আলোচনা করে লেখো:
অসুখের নাম | বায়ুবাহিত / জলবাহিত | রোগের লক্ষণ কী? |
১। টাইফয়েড | জলবাহিত | একটানা উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর থাকে এবং শরীর দুর্বল হয়ে যায়। এর সাথে প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও কোষ্ঠকাঠিন্য বা পাতলা পায়খানা হতে পারে। |
২। পোলিও | জলবাহিত | মাংসপেশিতে প্রচণ্ড ব্যথা হয় এবং হাত বা পা অবশ হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে রোগী স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। |
৩। নিউমোনিয়া | বায়ুবাহিত | প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট এবং বুকব্যথা অনুভূত হয়। এছাড়া ঘন ঘন কাশি এবং সাথে কফ বের হতে পারে। |
৪। অ্যালার্জি | অন্যান্য | শরীর চুলকায় এবং চামড়ায় লালচে চাকা বা র্যাশ দেখা দেয়। অনেক সময় চোখ দিয়ে জল পড়া এবং হাঁচি-কাশির মতো সমস্যাও হয়। |
৫। কৃমিঘটিত রোগ | জলবাহিত | সাধারণত পেটে ব্যথা হয় এবং মলদ্বারের আশেপাশে চুলকানি অনুভূত হতে পারে। এছাড়া শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া এবং খাবারে অরুচি দেখা দেয়। |
৬। মাম্পস | বায়ুবাহিত | কানের নিচে থাকা লালাগ্রন্থি বা প্যারোটিড গ্রন্থি ফুলে যায় এবং সেখানে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। এর ফলে খাবার গিলতে বা চিবোতে অনেক সমস্যা হয়। |
৭। বাত | অন্যান্য | শরীরের হাড়ের জয়েন্ট বা গাঁটগুলোতে প্রচণ্ড ব্যথা ও ফোলাভাব দেখা দেয়। গাঁট শক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিক চলাফেরায় বাধা সৃষ্টি হয়। |
৮। জল বসন্ত | বায়ুবাহিত | সারা শরীরে ছোট ছোট জলভরা ফুসকুড়ি বা গুটি দেখা দেয় এবং প্রচণ্ড চুলকানি হয়। এর সাথে হালকা থেকে মাঝারি জ্বর এবং ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- কেমনভাবে স্টেথোস্কোপ এল?
66. স্টেথোস্কোপ প্রথম কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: স্টেথোস্কোপ প্রথম রেনে লিনেক আবিষ্কার করেন।
67. রেনে লিনেক পেশায় কী ছিলেন?
উত্তর: রেনে লিনেক পেশায় কী ছিলেন একজন ডাক্তার।
**আপনাদের যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তার নীচে 👇 কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ 🙏**
All WBBSE Books Purchasing Link- https://wbbse.wb.gov.in/Web/WBBSEBookSaleCounter?l=GmOMh4ieAsfBrSunLPBveA==&a=I3YtcGlsbHMtTGlzdG9mQm9va3MtdGFi