Class 5 Amader Paribesh Chapter 2 question answer
ভৌত পরিবেশ প্রশ্নোত্তর । পঞ্চম শ্রেণি আমাদের পরিবেশ দ্বিতীয় অধ্যায় । Bhauta Paribesh Question Answer । Class 5 Amader Paribesh Chapter 2 question answer । Page 18 to 61 । West Bengal Board Of Secondary Education ।
-:ভৌত পরিবেশ:-
- মাটির তলার মাটি:
1.মাটির তলার মাটি কেমন তা বোঝার সহজ উপায কী?
উত্তর: কল বসানোর সময় লক্ষ করা।
- উপরের মাটি কেমন হয়?
উত্তর: মিহি প্রকৃতির।
- মাটির নীচের দিকের মাটি কেমন হয়?
উত্তর: কাঁকর ও নুড়ি মেশানো।
- মাটি দেখা:
- লেন্স কোন ভাষার শব্দ?
উত্তর: ইংরাজি।
- লেন্স-কে বাংলায় কী বলে?
উত্তর: আতশকাচ।
- মাটি দিয়ে পাকা বাড়ি:
- কাদার কণা কীভাবে শক্ত মাটিতে পরিণত হয়?
উত্তর: কাদার কণার ফাঁকে জল ও বাতাস থাকে, সেই জল শুকিয়ে গেলে কাদার কণাগুলো গায়ে গায়ে লেগে শক্ত মাটিতে পরিণত হয়।
- আগে মানুষ কী দিয়ে ইট গাঁথত?
উত্তর: কাদায় মিহি বালি মিশিয়ে।
- আজ থেকে কত বছর আগে সিমেন্ট প্রথম তৈরি হয়েছিল?
উত্তর: প্রায় ২০০ বছর আগে।
- আমাদের দেশে কত বছর আগে থেকে সিমেন্ট তৈরি শুরু হয়?
উত্তর: প্রায় ১২০ বছর আগে।
- মাটি কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: মাটি প্রধানত তিন প্রকার। যথা- এঁটেল মাটি, বেলে মাটি ও দোঁয়াশ মাটি।
- এঁটেল মাটি কাকে বলে?
উত্তর: যে মাটিতে কাদার ভাগ বেশি এবং জল ধারণ ক্ষমতা অনেক বেশি থাকে তাকে এঁটেল মাটি বলে।
- বেলে মাটি কাকে বলে?
উত্তর: যে মাটিতে বালির ভাগ বেশি এবং জল ধারণ ক্ষমতা অনেক কম থাকে তাকে বেলে মাটি বলে।
- দোঁয়াশ মাটি কাকে বলে?
উত্তর: যে মাটিতে কাদা ও বালির ভাগ প্রায় সমান এবং নানা জৈব পদার্থ ও অস্বাভাবিক উপাদান মিশে থাকে তাকে দোঁয়াশ মাটি বলে।
- মাটির কিছু অস্বাভাবিক উপাদানের নাম লেখো।
উত্তর: পলিথিনের টুকরো, অ্যালুমিনিয়ামের টুকরো, সেনের রিফিল, লোহার টুকরো ইত্যাদি।
- কোন মাটি জলে গুললে সহজে থিতিয়ে পড়ে না?
উত্তর: দোঁয়াশ মাটি।
- মাটি ও জলের বোঝাপড়া:
- এঁটেল, বেলে আর দোঁয়াশ মাটি নিয়ে পরীক্ষা করো। কী দেখেছ আর কী বুঝেছ লেখো।
আগে জল পড়া শুরু হয় | বেশিক্ষণ ধরে জল পড়ে | নীচের গ্লাসে বেশি জল জমে | বোঝা গেল (এঁটেল/ বেলে/ দোঁয়াশ: যেটা ঠিক সেটা লেখো) |
বেলে মাটি | এঁটেল মাটি | বেলে মাটি |
|
- উপকার, অপকার: যত্ন ও পুষ্টি:
- মাটির একটি সজীব জৈব উপাদানের নাম লেখো।
উত্তর: কেঁচো।
- মাটির মৃত জৈব উপাদানকে ভাঙতে কারা সাহায্য করে?
উত্তর: মাটির কিছু উপকারী জীব।
- মাটি কীভাবে উর্বর হয়?
উত্তর: মাটির মৃত জৈব উপাদানকে ভেঙে উর্বর মাটি সৃষ্টি হয়।
- কোন কোন সার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে?
উত্তর: নাইট্রোজেন, ফসফেট, কম্পোস্ট সার।
- গাছ সার থেকে কোন কোন উপাদান বেছে নেয়?
উত্তর: নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম প্রভৃতি।
- মাটি ভালো রাখা বিষয়ে আলোচনা করে লেখো:
| হিউমাস (জৈব সার), নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি। |
মাটিতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি এবং মাটির জল ধরে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি, গাছের পাতা ও ডালপালার দ্রুত বৃদ্ধি এবং গাছকে সতেজ ও সবুজ রাখতে সাহায্য, গাছের শিকড় মজবুত করতে এবং ফুল ও ফল উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা, গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং প্রতিকূল পরিবেশে গাছকে টিকে থাকতে সাহায্য ইত্যাদি। | |
| প্লাস্টিক ও পলিথিন, ভারী ধাতু (যেমন: সিসা ও ক্যাডমিয়াম), রাসায়নিক কীটনাশক, অ্যাসিডিক বর্জ্য ইত্যাদি। |
গাছের শিকড় বিস্তারে বাধা দিয়ে মাটির স্বাভাবিক গঠন নষ্ট করে, মাটির উপকারি অণুজীব ধ্বংস করে এবং খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে মানুষের শরীরে বিষক্রিয়া ঘটায়, মাটির প্রাকৃতিক উর্বরতা কমে যায় এবং মাটির বন্ধু পোকা (যেমন: কেঁচো) মারা যায় ইত্যাদি। | |
| মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে গোবর সার, কম্পোস্ট বা ভার্মিকম্পোস্ট প্রয়োগ, প্রতিবার একই ফসল চাষ না করে পর্যায়ক্রমে ভিন্ন ভিন্ন (যেমন: ডাল জাতীয়) ফসল চাষ, রাসায়নিক কীটনাশকের বদলে প্রাকৃতিক বা জৈবিক পদ্ধতিতে পোকা দমন, পলিথিন ও প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য মাটিতে ফেলা বন্ধ করতে হবে এবং এগুলো রিসাইক্লিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে, ইত্যাদি। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- মাটি থেকেই সোনার ধান:
- কোন ধানে বীজতলা প্রয়োজন হয় না?
উত্তর: আউশ ধানে।
22. বীজতলা কাকে বলে?
উত্তর: ধান চাষের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো ছোটো জায়গায় ধান ছড়ানোকে বীজতলা বলে।
- বীজধান কাকে বলে?
উত্তর: বীজতলার পর সেখান থেকে যে ছোটো ছোটো চারাগাছ বের হয় তাকে বীজধান বলে।
- রোয়া কাকে বলে?
উত্তর: বীজধানগুলো হাতখানেক বড়ো হলে সেগুলো তুলে বিঘতখানেক অন্তর সারি দিয়ে বসানোকে রোয়া বলে।
- ধান চাষের পর্যায় গুলি কী কী?
উত্তর: প্রথমে জমি তৈরি, বীজ নির্বাচন ও শোধন, বীজতলা, রোয়া, পরিচর্যা, সব শেষে ফসল কাটা ও মাড়াই।
- ধান চাষের জন্য কী ধরনের মাটি উপযুক্ত?
উত্তর: যে মাটি সহজে কাদা করা যায় তেমন মাটি ধান চাষের জন্য সবথেকে উপযোগী।
- মাটির উপর চাপ গাছ:
- পাহাড়ি এলাকায় কীভাবে ধান চাষ করা হয়?
উত্তর: সিঁড়ির মোতো ধাপ কেটে।
- পাহাড়ি এলাকায় কীভাবে মাটি তৈরি হয়?
উত্তর: ভূমিকম্পে, সূর্যের তাপে, প্রবল বৃষ্টিতে পাথর ফেটে গুঁড়ো হয়ে নানা ধরনের পদার্থের সাথে মিশে মাটি সৃষ্টি হয়।
- পাহাড়ি এলাকায় কোন কোন উদ্ভিদ মাটি তৈরিতে সাহায্য করে?
উত্তর: মস, ফার্ন ইত্যাদি উদ্ভিদ।
- টবে বা মাটিতে ফুল বা শাক-সবজি চাষ বিষয়ে নিজেরা আলোচনা করে লেখো:
কীসের চাষ | চাষ করতে কতটা গভীর মাটি লাগে | কেমন ধরনের মাটি লাগে | কীভাবে সেই মাটি চাষের যোগ্য করা হয় |
গোলাপ ফুল | সাধারণত ১০-১২ ইঞ্চি গভীর মাটি প্রয়োজন। | উর্বর দোআঁশ মাটি গোলাপ চাষের জন্য সবথেকে ভালো। | মাটি খুঁড়ে রোদে শুকিয়ে নিতে হয়। এরপর পচা গোবর সার ও সামান্য হাড়ের গুঁড়ো মিশিয়ে মাটি তৈরি করা হয়। |
বেগুন | মাটির নিচে অন্তত ৮-১০ ইঞ্চি গভীরতা থাকা দরকার। | জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোআঁশ বা পলি মাটি। | মাটি ঝুরঝুরে করে নিয়ে তাতে কম্পোস্ট সার ও অল্প পরিমাণে নিম খৈল মিশিয়ে উর্বর করতে হয়। |
পালং শাক | ৬-৮ ইঞ্চি গভীর মাটি হলেই চলে। | ঝুরঝুরে এঁটেল-দোআঁশ মাটি। | আগাছা পরিষ্কার করে মাটিতে গোবর সার মিশিয়ে মাটি আর্দ্র বা ভেজা রাখা হয়। |
টমেটো | প্রায় ১০-১২ ইঞ্চি গভীর মাটির প্রয়োজন হয়। | বেলে-দোআঁশ বা দোআঁশ মাটি। | মাটিতে পর্যাপ্ত ভার্মিকম্পোস্ট বা পাতা পচা সার মিশিয়ে মাটি হালকা ও পুষ্টিকর করে তোলা হয়। |
গাঁদা ফুল | ৮-১০ ইঞ্চি গভীর মাটি প্রয়োজন। | যেকোনো ধরণের দোআঁশ মাটি। | মাটি ভালো করে কুপিয়ে নরম করা হয় এবং অল্প ফসফেট ও গোবর সার মিশিয়ে চাষযোগ্য করা হয়। | |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- ধসে রাস্তা বন্ধ:
- ধসে কাকে বলে?
উত্তর: মাটি ধসে পড়াকে ধস বলে।
- ধস কীভাবে আটকানো সম্ভব?
উত্তর: বেশি পরিমাণে গাছ লাগালে ও ঘাস জমি থাকলে।
- ভূমিক্ষয় কাকে বলে?
উত্তর: মাটি সরে যাওয়াকে ভূমিক্ষয় বলে।
- ভূমিক্ষয় ও তার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করে লেখো:
কী কী ভাবে ভূমিক্ষয় হয় | ভূমিক্ষয়ের ফলে কী কী অসুবিধা হয় | কী কী করলে ভূমিক্ষয় কমবে |
1. অতিরিক্ত গাছ কাটা: বনভূমি উজাড় করলে গাছের শিকড় মাটিকে আঁকড়ে ধরতে পারে না। 2. প্রবল বৃষ্টিপাত: বৃষ্টির জলের তোড়ে মাটির উপরিভাগ ধুয়ে যায়। 3. অতিরিক্ত পশুচারণ: গবাদি পশুর পায়ের চাপে মাটি আলগা হয়ে যায় এবং ঘাস কমে যায়। 4. অবৈজ্ঞানিক চাষাবাদ: পাহাড়ের ঢালে বা ভুল পদ্ধতিতে চাষ করলে মাটি সহজেই ধুয়ে যায়। | 1. উর্বরতা হ্রাস: মাটির ওপরের উর্বর অংশ ধুয়ে যাওয়ায় চাষাবাদে সমস্যা হয়। 2. বন্যা: নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই বন্যা দেখা দেয়। 3. মরুভূমি সৃষ্টি: মাটির আদ্রতা কমে গিয়ে এলাকাটি ধীরে ধীরে মরুভূমিতে পরিণত হতে পারে। 4. জলদূষণ: ক্ষয়ে যাওয়া মাটি জলাশয়ে পড়ে জলকে নোংরা ও ঘোলা করে দেয়। | 1. বৃক্ষরোপণ: বেশি করে গাছ লাগাতে হবে কারণ গাছের শিকড় মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখে। 2. ধাপ চাষ: পাহাড়ের ঢালে ধাপ কেটে চাষ করলে জল সরাসরি মাটি ধুয়ে নিতে পারে না। 3. বাঁধ নির্মাণ: নদীর পাড়ে মজবুত বাঁধ দিলে পাড় ভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধ করা যায়। 4. তৃণভূমি সৃষ্টি: খালি জমিতে ঘাস বা ছোট গাছ লাগিয়ে মাটিকে ঢেকে রাখতে হবে। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- চেনা চেনা জলাশয়:
- পুকুরের চারপাশ পাকা করে দিলে কোন কোন জীবের সমস্যা হতে পারে?
উত্তর: ব্যাঙ ও কচ্ছপের মতো নানা উভচর প্রাণীদের।
- বাঁওড় কাকে বলে?
উত্তর: নদীর বাঁকে কিছুটা জায়গা নদী থেকে আলাদা হয়ে বদ্ধ জলাশয় তৈরি হয়। একে বাঁওড় বলে।
- ঝোরা কাকে বলে?
উত্তর: পাহাড়ে অনেক ছোটো ছোটো ঝর্না দেখা যায় তাকে ঝোরা বলে।
- নতুন জলাশয়:
- কল বা টিউবওয়েল কী জলাশয়?
উত্তর: না, জলের উৎস।
- স্রোতের জল, স্থির জল:
- জল প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে পরিষ্কার হয়?
উত্তর: বাতাসের অক্সিজেন জলে মিশে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে নোংরাগুলো ভেঙে দেয়। এছাড়া কিছু জলজ জীব থাকে যারা নোংরা খেয়ে ফেলে এবং জল পরিষ্কার হয়।
- দুটি রসায়নিক বিক্রিয়ার উদাহরণ দাও।
উত্তর: দুধ কেটে ছানা, পুরনো লোহার রড বা পেরেকে মরচে পড়া।
- আর কোথায় রাসায়নিক বিক্রিয়া হওয়া দেখেছ? এই নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করো। তারপর লেখো:
কোথায় রাসায়নিক বিক্রিয়া হওয়া দেখেছ | তার ফলে রং বদলে যাওয়া বা বিক্রিয়ায় কী তৈরি হয়েছে বা অন্য কী ঘটেছে |
চকচকে লোহার পেরেক বাতাসে ফেলে রাখলে | লোহার ওপর বাদামি রঙের মরিচা পড়ে। এটি মূলত বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে লোহার বিক্রিয়া। |
কয়লা পোড়ানো হলো | কয়লা পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ও প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন হয়। |
আলু কেটে ফেলে রাখা হলো | আলুর কাটা অংশ বাতাসের সংস্পর্শে এসে কালো বা খয়েরি রঙের হয়ে যায় |
দুধে লেবুর রস মেশালে | দুধ ফেটে গিয়ে ছানা তৈরি হয় এবং তরল অংশ আলাদা হয়ে যায়। |
চুনের সাথে জল মেশালে | প্রচুর বুদবুদ সৃষ্টি হয়, জল টকবক করে ফুটতে থাকে এবং তাপ উৎপন্ন হয়। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- জলশোধনের নানা কথা:
- পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট কীভাবে জলশোধন করে?
উত্তর: দূষিত জল তারাতারি ভেঙে জলশোধন করে।
- জল পরিষ্কার করার কয়টি পদ্ধতি ও কী কী?
উত্তর: দুটি পদ্ধতি। যথা- প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক পদ্ধতি।
- জলাশয় নোংরা হওয়া ও তার শোধন করা নিয়ে আলোচনা করো। তারপর লেখো:
জলাশয়ে কী কী নোংরা মেশে | তার ফলে কী কী সমস্যা হয় | কী কী ভাবে জলাশয়ের জল শোধন হয় |
কল-কারখানার বর্জ্য | জলের মাছ ও জলজ প্রাণী মারা যায়, জল বিষাক্ত হয়। | বর্জ্য শোধন প্ল্যান্ট (ETP) এবং রাসায়নিক ফিল্টার ব্যবহার করা। |
মরা জীব-জন্তুর দেহ | জল থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং মারাত্মক জীবাণু ছড়ায়। | মৃতদেহ সরিয়ে ফেলা এবং জলে চুন বা ব্লিচিং পাউডার মেশানো। |
তরকারির খোসা | জল পচে যায় এবং মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ে। | জাল দিয়ে খোসা পরিষ্কার করা। |
রাসায়নিক সার | আগাছা ও শ্যাওলা বেড়ে অক্সিজেনের অভাব হয়। | পরিমিত সার ব্যবহার করা এবং পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দিয়ে শোধন। |
পোকামাকড় মারার বিষ | পানীয় জল বিষাক্ত হয় এবং পেটের রোগ ছড়ায়। | ক্লোরিন ট্যাবলেট ব্যবহার করা। |
কাপড় কাচা সাবান | জল ক্ষারীয় হয়ে যায় এবং মাছের ক্ষতি করে। | ফিটকিরি ব্যবহার করা। |
প্লাস্টিক ও পলিথিন | জলের প্রবাহ আটকে যায় এবং জলজ প্রাণীরা শ্বাসরোধ হয়ে মারা যায়। | জাল ফেলে প্লাস্টিক তুলে ফেলা এবং রিসাইকেল করা। |
মানুষের মলমূত্র | জন্ডিস, টাইফয়েড ও কলেরার মতো মারাত্মক রোগ ছড়ায়। | ব্লিচিং পাউডার ছড়ানো এবং উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা করা। |
লঞ্চ বা নৌকার তেল | জলের ওপর তেলের আস্তরণ পড়ে অক্সিজেনের আদান-প্রদান বন্ধ হয়। | বিশেষ তেল শোষক যন্ত্র ব্যবহার বা বায়োলজিক্যাল ক্লিনআপ। |
প্রতিমা বিসর্জন | রঙের রাসায়নিক (সীসা, পারদ) জলকে প্রচণ্ড বিষাক্ত করে তোলে। | বিসর্জনের পর দ্রুত কাঠামো তুলে ফেলা এবং প্রাকৃতিক রং ব্যবহার। |
আবর্জনা ও গৃহস্থালি বর্জ্য | জল ঘোলাটে হয় এবং তলদেশে কাদা জমে গভীরতা কমে যায়। | পলি বা কাদা তোলা এবং জল ছাঁকন পদ্ধতি। |
পচা লতাপাতা ও শ্যাওলা | জল কালচে হয়ে যায় এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। | নিয়মিত শ্যাওলা পরিষ্কার করা এবং জলে পরিমিত চুন প্রয়োগ। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- মাটির নীচের জল:
- কী কী কাজে মাটির নীচের জল ব্যবহার করলে ভালো হয়? এ নিয়ে নিজেরা আলোচনা করো। তারপর লেখো:
কী কী কাজে নিচের জল ব্যবহার হয় | কোন কোন কাজে মাটির নিচের জল ব্যবহার করা ছাড়া উপায় নেই | অন্য কোন কাজে কোথাকার জল ব্যবহার করা যায় |
পানীয় জল হিসেবে | পান করার জন্য | জমিতে জল সেচের কাজে নদীর জল |
রান্নার কাজে | রান্নার জল হিসেবে ব্যবহারের জন্য | বৃষ্টির জল ধরে রেখে গাছে দেওয়া |
কৃষি কাজে | শহরাঞ্চলের বহুতল ভবন ও আবাসন | পুকুরের জল ব্যবহার করে গৃহস্থালির কাজ |
শিল্প কারখানায় ব্যবহার | শুষ্ক ও মরু অঞ্চল | নদীর জল ব্যবহার করে গৃহপালিত পশুর রক্ষণাবেক্ষণ |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- জল নষ্ট আর জলকষ্ট:
- বাড়িতে কোন কাজে কোন উৎসের জল ব্যবহার করা উচিত? ভালো করে ভেবে, আলোচনা করে লেখো:
পানের জল | মাটির নীচের জল | মুখ ধোয়া | মাটির নীচের জল |
চাল ও আনাজ ধোওয়া | মাটির নীচের জল | বাসন ধোয়া | পরিষ্কার পুকুর বা নদীর জল |
কাঁচা খাবার, ফল ধোয়া | মাটির নীচের জল | কাপড় কাচা | পুকুর বা নদীর জল |
মুড়ি-চিঁড়ে ভেজানো | মাটির নীচের জল | ঘর মোছা | পুকুর বা নদী বা বৃষ্টির জল |
রান্না করা | মাটির নীচের জল বা বৃষ্টির জল | স্নান করা | পরিষ্কার পুকুর বা নদীর জল |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- বৃষ্টির জল ধরো:
- বৃষ্টির জল কী কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: গৃহস্থালির কাজে, কৃষি ও বাগান পরিচর্যায়, পশুপালন ও যানবাহন পরিষ্কার ইত্যাদি কাজে।
- প্রথম দিকে বৃষ্টির জল ব্যবহার করা উচিত নয় কেন?
উত্তর: জলে সামান্য পরিমাণে অ্যাসিড থাকে তাই।
- মাঝখানে কেউ যায় না:
- কয়েকটি বিখ্যাত জলাশয়ের নাম লেখো।
উত্তর: পূর্ব কোলকাতার জলাভূমি, পুরুলিয়ার সাহেববাঁধ, হাওড়ার সাঁতরাগাছি ঝিল, কোচবিহারের রসিক বিল ইত্যাদি।
- কলকাতার ঢাল পূর্ব দিকে:
- পশ্চিমবঙ্গের কোথায় সবথেকে বেশি পরিমাণে নোংরা জলে মাছ চাষ করা হয়?
উত্তর: পূর্ব কলকাতার জলাভূমিতে।
- সারা কলকাতার নোংরা কোথায় জমে?
উত্তর: পূর্ব কলকাতার জলাভূমিতে।
- তিনশো বছর আগে কলকাতার নোংরা কোথায় ফেলা হতো?
উত্তর: গঙ্গায়।
- কত বছর আগে ঠিক করা হয় যে কলকাতার নোংরা পূর্বদিকে ফেলা হবে?
উত্তর: দেড়শো বছর আগে।
- কলকাতার নোংরা জল কোন নদী দিয়ে পাম্প করে পাঠানো হয়?
উত্তর: বিদ্যাধরী নদী দিয়ে।
- পূর্ব কলকাতার জলাভূমির আশেপাশে কোন কোন জীব চোখে পড়ে?
উত্তর: শামুক, সাপ, পোকা, পাখি, শিয়াল, জলার বেজি, ভাম বিড়াল, কাদার কচ্ছপ, পানকৌড়ি ইত্যাদি।
- কত সাল নাগাদ কলকাতার আবর্জনা ও নোংরা জল পূর্বে পাঠানো হয়?
উত্তর: ১৮৫৭ সাল নাগাদ।
- কোন পরিকল্পনা অনুযায়ী কলকাতার আবর্জনা ও নোংরা জল পূর্বে পাঠানো হয়?
উত্তর: উইলিয়াম ক্লার্কের পরিকল্পনা অনুযায়ী।
- কত সাল নাগাদ আবর্জনা মেলা নোংরা জলে মাছ চাষ শুরু হয়?
উত্তর: ১৮৬০ সাল নাগাদ।
- কত সাল নাগাদ পূর্ব কলকাতার জলাভূমিতে মাছ চাষের জন্য মাছের ঘাট তৈরি হয়?
উত্তর: ১৮৭২ সাল নাগাদ।
- কত সাল নাগাদ পূর্ব কলকাতার জলাভূমিতে পাকাপাকিভাবে মাছচাষ শুরু হয়?
উত্তর: ১৯১৮ সাল নাগাদ।
- কত সাল নাগাদ পূর্ব কলকাতার জলাভূমিতে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ শুরু হয়?
উত্তর: ১৯২৯ সাল নাগাদ।
- উদ্ভিদ আর প্রাণীদের নিয়ে জীবজগৎ:
- উদ্ভিদ ও প্রাণীদের খাদ্য বিষয়ে আলোচনা করো। তারপর লেখো:
গাছ কী কী দিয়ে খাদ্য তৈরি করে | কোন গাছ কোন প্রাণীকে খাদ্য জোগায় | তৃণভোজীদের কারা খায় | কোন প্রাণীরা উদ্ভিদ ও প্রাণীদের খায় |
সূর্যালোক, ক্লোরোফিল, জল, কার্বন-ডাই-অক্সাইড | ঘাস ও লতাগুল্ম: গরু, ছাগল ফড়িং প্রভৃতি। শস্যদানা জাতীয় গাছ: পাখি, ইঁদুর প্রভৃতি। গাছের পাতা: হরিণ, জিরাফ প্রভৃতি। | বাঘ, সিংহ, শিয়াল, সাপ প্রভৃতি। | মানুষ, ভাল্লুক, কাকে প্রভৃতি। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- বুনো থেকে পোষা হলো:
- গৌর বা ভারতীয় বাইসন কী?
উত্তর: একধরনের বড়ো কালো গোরুর মতো জন্তু।
- গৌর বা ভারতীয় বাইসন কোথায় দেখতে পাওয়া যায়?
উত্তর: জলদাপাড়া অভয়ারণ্যে।
- কোন প্রাণী প্রথম মানুষের পোষ মেনেছিল?
উত্তর: কুকুর।
- কোন কোন পশু ও পাখি পোষ মেনে পালিত পশুপাখি হয়েছে? তাদের থেকে কী পাওয়া যায় তার আলোচনা করে লেখো:
পালিত পশুর নাম | তাদের থেকে কী কী পাওয়া যায় | পালিত পাখির নাম | তাদের থেকে কী কী পাওয়া যায় |
গরু | দুধ, গোবর, চামড়া | মুরগি | ডিম, মাংস |
ছাগল | দুধ, মাংস | হাঁস | ডিম, মাংস |
ভেড়া | পশম (উল), মাংস | পায়রা | মাংস, বিনোদন |
মহিষ | দুধ, লাঙল টানার শক্তি | টিয়া | বিনোদন |
ঘোড়া | যাতায়াত ও মালপত্র বহন | রাজহাঁস | ডিম, মাংস, পালক |
কুকুর | বাড়ি পাহারা ও নিরাপত্তা | তিঁতির | ডিম ও মাংস |
বিড়াল | ইঁদুর দমন ও বিনোদন | উটপাখি | ডিম, মাংস, চামড়া |
শূকর | মাংস | ময়না | বিনোদন |
উট | দুধ, মাংস, যাতায়াত ও মাল বহন | কাকাতুয়া | বিনোদন |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- কে বন্য কে পোষা:
- প্রাণীরা কখন আক্রমণ করে?
উত্তর: কেবলমাত্র তাদের ক্ষতি করতে গেলে বা তারা ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করলে।
- যে সব বন্য পশুপাখি দেখতে পাও তাদের নাম ও পরিবেশে তাদের ভূমিকা বিষয়ে লেখো:
প্রায়ই দেখা বন্য পশুর নাম | পরিবেশে তাদের ভূমিকা কী | প্রায়ই দেখা বন্য পাখির নাম | পরিবেশে তাদের ভূমিকা |
বেজি | সাপ ও ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে এদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে। | কাক | চারপাশের নোংরা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে |
শিয়াল | মরা পশুপাখি ও ইঁদুর খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। | শালিক | ফসলের ক্ষতিকারক পোকা খেয়ে চাষিকে সাহায্য করে। |
কাঠবেড়ালি | ফলের বীজ ছড়িয়ে নতুন গাছ জন্মাতে সাহায্য করে। | পেঁচা | ইঁদুর খেয়ে ফসলের ক্ষতি রোধ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। |
বানর | বনের ফলমূল খেয়ে বীজ বিস্তারে এবং বনায়নে ভূমিকা রাখে। | চড়ুই | ছোট ছোট পোকা ও মশার লার্ভা খেয়ে রোগের প্র্কোপ কমাতে সাহায্য করে। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- ঘরের কাছে কত প্রাণী:
- গন্ধগোকুল-এর আর এক নাম কী?
উত্তর: ভাম-বেড়াল।
- পিঁপড়ে কি গৃহপালিত জীব?
উত্তর: না।
- বাড়িতে থাকা কয়েকটি বন্য জীবের নাম লেখো।
উত্তর: কেন্ন, মশা, উই, আরশোলা, টিকটিকি, গিরগিটি, মাকড়সা, ইঁদুর ইত্যাদি।
- বাড়ির পোষা প্রাণী, বাড়িতে আসা বুনো প্রাণী আর ঝোপ-জঙ্গলের বুনো প্রাণী এই ভাগে চেনা প্রাণীদের ভাগ করে নাম লেখো:
বাড়ির পোষা প্রাণী | বাড়িতে আসা বুনো-প্রাণী | ঝোপঝাড়ের বুনো-প্রাণী |
গরু, ছাগল, কুকুর, বিড়াল, হাঁস/মুরগি প্রভৃতি। | কাঠবিড়ালি, চড়ুই পাখি, টিকটিকি, কাক, ইঁদুর প্রভৃতি। | শিয়াল, বেজি, সাপ, বনবিড়াল, খরগোশপ্রভৃতি। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- শিখব সবাই মিলে, চিনব সবাইকে:
- সাপের গায়ে লোমের বদলে কী থাকে?
উত্তর: আঁশ।
- প্রজাপতি কী থেকে তৈরি হয়?
উত্তর: শুঁয়োপোকা থেকে।
- কে মেরুদন্ডী, কে অমেরুদন্ডী:
- রুই মাছের কটি পাখনা?
উত্তর: সাতটি।
- যেসব মেরুদন্ডী আর অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের দেখেছ তাদের বিষয়ে আলোচনা করে লেখো:
মেরুদণ্ডী প্রাণীর নাম | অমেরুদণ্ডী প্রাণীর নাম | দুই রকম প্রাণীর মধ্যে কি কি পার্থক্য দেখা যায় |
মানুষ, মাছ, ব্যাঙ, সাপ, পাখি, গরু | কেঁচো, আরশুলা, মশা, প্রজাপতি, শামুক, চিংড়ি |
|
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- চেনা গাছের আচার-আচরণ:
- আকর্ষ কাকে বলে?
উত্তর: বেশিরভাগ লতানো গাছ গুলিতে যে সুতোর মতো একধরনের জিনিস থাকে যার সাহায্যে গাছ উপরের দিকে বেয়ে ওঠে তাকে আকর্ষ বলে।
- লতানো গাছ গুলিতে আকর্ষ কেন দেখা যায়?
উত্তর: লতানো গাছ গুলি সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না তাই এই আকর্ষের সাহায্য বেয়ে উপরে ওঠে।
- বটগাছের ঝুরি নামে কেন?
উত্তর: বট গাছের ডাল গুলি খুব ভারী হয় তাই সেগুলি যাতে ভারে ভেঙে না যায় তাই ঝুরি নামিয়ে তাতে ভর করে থাকে।
- আর কোন কোন গাছ এমন বিশেষ আচরণ করে? যে যা দেখেছ, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করো। তারপর লেখো:
গাছের নাম | লতানো/ শক্ত গুঁড়ি | বিশেষ আচরণ | কেন ওই আচরণ |
লজ্জাবতী | লতানো (কাঁটাযুক্ত) | পাতা স্পর্শ করলেই মুড়ে যায়। | আত্মরক্ষার জন্য এবং অনিষ্টকারী পতঙ্গ তাড়াতে। |
বট গাছ | শক্ত গুঁড়ি | ডাল থেকে ঝুরি বা মূল নামে। | বিশাল ভারি ডালপালাকে ভর দেওয়ার জন্য। |
কলস উদ্ভিদ | লতানো | এদের পাতা কলসীর মতো এবং পতঙ্গ শিকার করে। | নাইট্রোজেনের অভাব মেটানোর জন্য পতঙ্গ থেকে প্রোটিন সংগ্রহ করে। |
সূর্যমুখী | শক্ত (মাঝারি) | ফুলের মুখ সবসময় সূর্যের দিকে থাকে। | বেশি পরিমাণ সূর্যালোক পাওয়ার জন্য। |
ফণীমনসা | শক্ত (রসালো) | পাতা কাঁটায় রূপান্তরিত হয়। | মরুভূমিতে প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় জল রোধ করার জন্য। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- খুব চেনা প্রাণীর আচার-আচরণ:
- এমন একটি জীবের নাম করো যার লেজ কেটে গেলে আবার গজায়।
উত্তর: টিকটিকি।
- আধ-চেনা প্রাণীর আচার-আচরণ:
- কয়েকটি শিকারি মাছের নাম লেখো:
উত্তর: শোল, শাল, চ্যাং, ল্যাটা ইত্যাদি।
- নীচের কোন বৈশিষ্ট্য কোন প্রাণীদের? তাদের বিষয়ে নীচে লেখো:
প্রাণীর একটি বৈশিষ্ট্য | প্রাণীর নাম | অন্য আচার-আচরণ |
খোলশ-ছাড়া প্রাণী | সাপ | সাপ জিভ এর সাহায্যে তার চারপাশের পরিবেশ ও শিকারের গন্ধ বুঝতে পারে। |
গর্তে থাকা প্রাণী | ইঁদুর | ইঁদুরের সামনের দাঁত সারাজীবন ধরে বৃদ্ধি পায়। তাই দাঁতগুলোকে ঘষে নির্দিষ্ট মাপে রাখার জন্য তারা কাঠ, প্লাস্টিক বা শক্ত জিনিস কামড়ায় বা কুচি কুচি করে কাটে। |
বুকে হেঁটে বেড়ানো প্রাণী | কুমির | কুমির শীতল রক্তের প্রাণী হওয়ায় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাঙ্গায় উঠে রোদ পোহায়। এসময় তারা মুখ হা করে থাকে, যা তাদের শরীরের অতিরিক্ত তাপ বের করে দিতে এবং তাপমাত্রা নির্দিষ্ট মাত্রায় রাখতে সাহায্য করে। |
সুন্দর লেজওলা প্রাণী | ময়ূর | ময়ূর তার রঙিন পেখম মেলে ধরে বিশেষ এক ধরণের নৃত্য প্রদর্শন করে। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
- স্থানীয় প্রাণীর হারিয়ে যাওয়া:
- বর্তমানে শোল-চ্যাং প্রভৃতি মাছ কমে যাওয়ার প্রধান কারণ কী?
উত্তর: চাষের জমিতে কীটনাশক ছড়ানোর ফলে সেই কীটনাশক বৃষ্টির জলের সাথে ধুয়ে মাছের কাছে গেলে মাছের মাছ মারা যায়।
- শকুনের প্রধান খাদ্য কী?
উত্তর: মরা পশুর মাংস।
- বর্তমানে শকুনের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ কী?
উত্তর: গোরুর ব্যথা কমানোর জন্য যে অষুধ দেওয়া হয় তা মৃত্যুর পরেও তাদের শরীরে থেকে যায় এবং সেই মাংস খেয়ে শকুনের মৃত্যু ঘটে।
- জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?
উত্তর: আমরা চারপাশে যে নানারকম উদ্ভিদ ও প্রাণীদের দেখতে পাই তার সবকিছুকেই একসাথে জীববৈচিত্র্য বলে।
- গত পঞ্চাশ বছরে তোমার কাছাকাছি অঞ্চলের পরিবেশে বিভিন্ন পরিবর্তন বিষয়ে খোঁজ নিয়ে আলোচনা করে লেখো:
স্থানীয় বিষয় | ৫০ বছরে কতটা (খুব/সামান্য) বেড়েছে বা কমেছে | তাতে স্থানীয় জীবদের কী সুবিধা/অসুবিধা হয়েছে |
জনসংখ্যা | খুব বেড়েছে | বাসস্থান তৈরির জন্য গাছপালা কাটা পড়ছে, ফলে বন্যপ্রাণীদের থাকার জায়গা কমেছে। |
প্রাণী | খুব কমেছে | অনেক দেশি প্রজাতির মাছ, পাখি ও বন্যপ্রাণী হারিয়ে যাচ্ছে; বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। |
উদ্ভিদ, জলাশয়, কৃষিজমি | খুব কমেছে | চাষের জমি ও পুকুর ভরাট করে বাড়ি হওয়ায় প্রাকৃতিক অক্সিজেন ও জলের উৎস কমছে। |
রাস্তা | খুব বেড়েছে | যাতায়াতের খুব সুবিধা হয়েছে, কিন্তু যানবাহনের ধোঁয়া ও শব্দে দূষণ বাড়ছে। |
বিদ্যুতের খুঁটি | খুব বেড়েছে | ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে, তবে খোলা তারের জন্য অনেক সময় বড় পাখিরা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। |
কারখানা | সামান্য বেড়েছে | কাজের সুযোগ বেড়েছে, কিন্তু বর্জ্য ও ধোঁয়ার কারণে জল ও বায়ু মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। |
যানবাহন | খুব বেড়েছে | এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় দ্রুত যাওয়া যাচ্ছে, তবে শব্দ ও বায়ুদূষণ বেড়েছে। |
রাসায়নিক সার ব্যবহার | খুব বেড়েছে | ফসলের উৎপাদন অনেক বেড়েছে, কিন্তু মাটির উর্বরতা কমছে এবং জমির উপকারী পোকারা মারা যাচ্ছে। |
কীটনাশক ব্যবহার | খুব বেড়েছে | ক্ষতিকারক পোকা দমন হচ্ছে, কিন্তু খাদ্যের মাধ্যমে বিষ মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে এবং মৌমাছি কমে যাচ্ছে। |
অন্যান্য বিষয় (প্লাস্টিক) | খুব বেড়েছে | ব্যবহারের সুবিধা থাকলেও ড্রেন জ্যাম হচ্ছে এবং মাটির স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে। |
[ উপরের ছকটি উদাহরণ স্বরূপ পূরণ করা হল। ছাত্রছাত্রীরা এমনভাবে নিজেদের বুদ্ধি প্রয়োগ করে আরো লিখতে পারে।]
All WBBSE Books Purchasing Link- https://wbbse.wb.gov.in/Web/WBBSEBookSaleCounter?l=GmOMh4ieAsfBrSunLPBveA==&a=I3YtcGlsbHMtTGlzdG9mQm9va3MtdGFi